তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬। সম্পূর্ণ আপডেট

তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া আপনার জানা আছে কি ? ঢাকা-চট্টগ্রাম রুট বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যস্ততম রেলপথ। সড়কপথে যানজট আর দীর্ঘ সময়ের অনিশ্চয়তা এড়িয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে পৌঁছাতে ট্রেনের বিকল্প নেই। বিশেষ করে রাতের বেলা যাত্রা করে সকালে ফ্রেশ হয়ে কাজ শুরু করার যে সুযোগ তূর্ণা এক্সপ্রেস দেয়, তা অন্য কোনো বাহনে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে টিকিট সংকট ও সঠিক সময়ের তথ্য না জানার কারণে অনেকেই বিড়ম্বনায় পড়েন। তাই ২০২৬ সালের লেটেস্ট আপডেট অনুযায়ী আপনার যাত্রা পরিকল্পনা সাজানো উচিত।

কেন আপনি তূর্ণা এক্সপ্রেস বেছে নেবেন? এর প্রধান কারণ হলো সময় ব্যবস্থাপনা। রাত ১১টার পর ট্রেনটি ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করে, যার ফলে আপনি আপনার সারা দিনের কাজ শেষ করে আরামে ট্রেনে উঠতে পারেন। সারারাত ঘুমিয়ে ভোরের আলো ফুটতেই গন্তব্যে পৌঁছানো যায়, যা আপনার কর্মঘণ্টা বা ভ্রমণের আনন্দকে দ্বিগুণ করে দেয়।

তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের পরিচিতি ও বৈশিষ্ট্য

তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪১/৭৪২) মূলত একটি আন্তঃনগর ট্রেন যা ১৯৮৬ সাল থেকে বিশ্বস্ততার সাথে যাত্রী সেবা দিয়ে আসছে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার সময় এটি ৭৪২ নম্বর হিসেবে এবং চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ফেরার সময় এটি ৭৪১ নম্বর হিসেবে পরিচিত। এটি একটি বিরতিহীন ট্রেনের মতো দ্রুত হলেও পথে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রী ওঠা-নামার জন্য যাত্রা বিরতি করে।

এই ট্রেনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর শক্তিশালী ইঞ্জিন এবং আরামদায়ক বগি। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (AC) বগি থেকে শুরু করে সাধারণ শোভন চেয়ার—সব ক্ষেত্রেই যাত্রীদের আরামকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। বিশেষ করে যারা পরিবার নিয়ে ভ্রমণ করেন, তাদের জন্য তূর্ণা এক্সপ্রেসের কেবিনগুলো হতে পারে একটি ছোট্ট চলন্ত ঘর। রাতের বেলা জানালার পাশে বসে চাঁদের আলোয় বাংলার প্রকৃতি দেখার যে মায়াবী দৃশ্য, তা এই ট্রেনের যাত্রাকে করে তোলে অনন্য।

আরও জেনে নিনঃ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম

তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ আপডেট

২০২৬ সালের নতুন রেলওয়ে মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী তূর্ণা এক্সপ্রেসের সময়সূচী বেশ খানিকটা সুসংহত করা হয়েছে। নিচে ঢাকা এবং চট্টগ্রাম উভয় দিক থেকে ছাড়ার সময় এবং পৌঁছানোর বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম (৭৪২ তূর্ণা এক্সপ্রেস)

ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ৭৪২ নম্বর তূর্ণা এক্সপ্রেস প্রতিদিন রাত ১১টা ১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করে। ট্রেনটি রাতের নিস্তব্ধতা চিরে বিমানবন্দর, ভৈরব ও কুমিল্লা হয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছুটে চলে। সব ঠিক থাকলে এটি পরের দিন সকাল ৫টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম জংশন স্টেশনে পৌঁছায়। অর্থাৎ মাত্র ৬ ঘণ্টায় আপনি দেশের প্রধান বন্দর নগরীতে পৌঁছে যাচ্ছেন।

যারা ঢাকা বিমানবন্দরে থাকেন বা উত্তরা অঞ্চলের বাসিন্দা, তাদের জন্য ট্রেনটি রাত ১১টা ৪০ মিনিটে বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রাবিরতি করে। এখানে ২-৩ মিনিটের জন্য ট্রেন থামে, তাই আপনাকে অবশ্যই আগেভাগে প্ল্যাটফর্মে থাকতে হবে।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা (৭৪১ তূর্ণা এক্সপ্রেস)

বিপরীত দিক থেকে অর্থাৎ চট্টগ্রাম জংশন স্টেশন থেকে ৭৪১ নম্বর তূর্ণা এক্সপ্রেস রাত ১১টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সারারাত পাহাড়ি এলাকা আর সমতল ভূমি পার হয়ে ট্রেনটি পরের দিন সকাল ৫টা ১০ মিনিটে ঢাকা কমলাপুর স্টেশনে এসে পৌঁছায়।

একটি বিশেষ তথ্য: তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের বর্তমানে কোনো সাপ্তাহিক বন্ধ নেই। অর্থাৎ সপ্তাহের সাত দিনই আপনি এই ট্রেনে যাতায়াত করতে পারবেন। তবে ঈদ বা বিশেষ ছুটির সময় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ অনেক সময় সময়সূচী সামান্য পরিবর্তন করতে পারে, যা অগ্রিম টিকেটে বা স্টেশনে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন।

তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়ার তালিকা ২০২৬

ভাড়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ে বেশ সাশ্রয়ী। তবে ২০২৬ সালে জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বিবেচনায় ভাড়ার তালিকায় সামান্য সমন্বয় করা হয়েছে। নিচে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণির ভাড়া দেওয়া হলো:

  • শোভন চেয়ার: ৪০৫ টাকা (বাজেট ট্রাভেলারদের জন্য সেরা)।
  • স্নিগ্ধা (এসি সিট): ৭৭৭ টাকা (আরাম এবং বাজেটের চমৎকার সমন্বয়)।
  • এসি সিট/ফার্স্ট ক্লাস: ৯৮২ টাকা।
  • এসি বার্থ (শয়নযোগ্য সিট): ১৪৪৮ টাকা (ভিআইপি ভ্রমণের অনুভূতি)।

টিপস: আপনি যদি অনলাইনে টিকিট কেনেন, তবে রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি টিকিটের জন্য ২০ টাকা অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হবে। আবার যদি এসি কেবিন বুক করেন, তবে চার্জ সামান্য বাড়তে পারে। টিকেটের সাথে ভ্যাট এবং সার্ভিস চার্জ যুক্ত হয়ে মোট মূল্য নির্ধারিত হয়।

স্টেশন অনুযায়ী যাত্রা বিরতি ও সময়

তূর্ণা এক্সপ্রেস সব স্টেশনে থামে না। এটি কেবল নির্দিষ্ট কিছু বাণিজ্যিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রীসেবা দেয়। নিচে তূর্ণা এক্সপ্রেসের প্রধান স্টপেজগুলোর নাম ও আনুমানিক সময় দেওয়া হলো:

ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করলে:
১. ঢাকা কমলাপুর (রাত ১১:১৫)
২. ঢাকা বিমানবন্দর (রাত ১১:৪০)
৩. ভৈরব বাজার (রাত ১২:৫০)
৪. ব্রাহ্মণবাড়িয়া (রাত ০১:১২)
৫. আখাউড়া (রাত ০১:৪৭)
৬. কুমিল্লা (ভোর ০২:৩৫)
৭. লাকসাম (ভোর ০৩:০০)
৮. ফেনী (ভোর ০৩:৪০)
৯. চট্টগ্রাম (সকাল ০৫:১৫)

লক্ষ্য করুন: রাতের ট্রেন হওয়ায় স্টেশনগুলোতে ট্রেন আসার সময় ২-৫ মিনিট এদিক সেদিক হতে পারে। বিশেষ করে ঘন কুয়াশা বা সিগন্যাল সমস্যার কারণে মাঝে মাঝে দেরি হতে পারে। তাই ভ্রমণের সময় রেলসেবা অ্যাপের মাধ্যমে ট্রেনের বর্তমান অবস্থান দেখে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

কোন সিট বা বগিটি আপনার জন্য সেরা?

তূর্ণা এক্সপ্রেসে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সিট নির্বাচন একটি বড় ফ্যাক্টর। আপনি কার সাথে ভ্রমণ করছেন তার ওপর ভিত্তি করে সিট চয়েস করা উচিত।

একা ভ্রমণে: আপনি যদি একা যাতায়াত করেন এবং আরামদায়ক যাত্রা চান, তবে স্নিগ্ধা (Snigdha) বগি বেছে নিন। এখানকার সিটগুলো বেশ চওড়া এবং এসি থাকায় ধুলোবালি বা শব্দ দূষণ থেকে মুক্ত থাকা যায়।

পরিবার বা বন্ধুদের সাথে: ৪ থেকে ৬ জনের গ্রুপ হলে এসি কেবিন বা নন-এসি কেবিন বুক করা সবচেয়ে ভালো। এতে আপনারা নিজেদের মধ্যে কথা বলতে পারবেন এবং গোপনীয়তা বজায় থাকবে।

বাজেট ট্রাভেলার: আপনি যদি স্টুডেন্ট হন বা খরচ বাঁচাতে চান, তবে শোভন চেয়ারের টিকিট কাটুন। তূর্ণা এক্সপ্রেসের শোভন বগিগুলো বেশ উন্নত এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে।

টিকিট কাটার সম্পূর্ণ গাইড (২০২৬ আপডেট)

২০২৬ সালে টিকিট কাটার প্রক্রিয়া অনেক বেশি সহজ এবং প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে গেছে। এখন আপনাকে স্টেশনে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না।

অনলাইন ও অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং

বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (eticket.railway.gov.bd) অথবা ‘Rail Sheba’ অ্যাপের মাধ্যমে খুব সহজেই টিকিট কেনা যায়। প্রথমে একটি অ্যাকাউন্ট খুলে আপনার এনআইডি (NID) ভেরিফাই করে নিতে হবে। এরপর গন্তব্য ও তারিখ সিলেক্ট করে সিট পছন্দ করুন। বিকাশ, নগদ বা রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট করলে আপনার ইমেইলে ই-টিকিট চলে আসবে। যাত্রার আগে সেটি প্রিন্ট করে নিতে পারেন অথবা মোবাইলে পিডিএফ কপি দেখালেও চলে।

স্টেশন কাউন্টার থেকে টিকিট

আপনি যদি সরাসরি টিকিট কাটতে চান, তবে কমলাপুর বা চট্টগ্রাম স্টেশনের কাউন্টারে যেতে হবে। অগ্রিম টিকিট সাধারণত ১০ দিন আগে থেকে পাওয়া যায়। তূর্ণা এক্সপ্রেসের টিকিট খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়, তাই অন্তত ৫-৭ দিন আগে টিকিট সংগ্রহ করা নিরাপদ।

বাস বনাম তূর্ণা এক্সপ্রেস – কোনটি আপনার জন্য সঠিক?

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে অনেক বিলাসবহুল বাস চলে, যেমন হানিফ, এনা বা গ্রিন লাইন। তবে বাসের তুলনায় ট্রেনের কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে। বাসে যানজটের ভয় থাকে, যা আপনার পুরো সিডিউল এলোমেলো করে দিতে পারে। বিশেষ করে মেঘনা বা দাউদকান্দি ব্রিজের জট রাতের যাত্রীদের জন্য দুঃস্বপ্ন হতে পারে।

অন্যদিকে, তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের নির্দিষ্ট রুট থাকায় যানজটের কোনো ভয় নেই। ট্রেনের ভেতরে চলাফেরা করার সুযোগ থাকে, ওয়াশরুম ব্যবহার করা যায় এবং ক্লান্ত লাগলে হাত-পা ছড়িয়ে বসা যায়। খরচের দিক থেকেও ট্রেনের শোভন বা স্নিগ্ধা ভাড়া বাসের এসি টিকিটের চেয়ে অনেক কম। তাই নিরাপদ এবং আরামদায়ক যাত্রার জন্য ট্রেনের পাল্লাই ভারী থাকে।

ভ্রমণের আগে কিছু বাস্তব টিপস ও অভিজ্ঞতা

তূর্ণা এক্সপ্রেসে ভ্রমণের আগে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে আপনার যাত্রা আরও আনন্দদায়ক হবে:

১. সঠিক সময়ে স্টেশনে পৌঁছানো: তূর্ণা এক্সপ্রেস সাধারণত সময় মেনে চলে। তাই অন্তত ৩০ মিনিট আগে প্ল্যাটফর্মে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন। শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে।

২. খাবার ও নিরাপত্তা: ট্রেনের ভেতর ক্যানটিন বা খাবার বগি থাকে। সেখানে চা, কফি, কেক বা স্ন্যাকস পাওয়া যায়। তবে রাতের বেলা ভারী খাবার বাসা থেকে নিয়ে যাওয়াই ভালো। আর নিজের ব্যাগ এবং মোবাইল ফোনের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে, বিশেষ করে জানালার পাশের সিটগুলোতে।

৩. চাদর বা পাতলা কম্বল: যারা এসি বগিতে ভ্রমণ করবেন, তারা সাথে একটি পাতলা চাদর বা মাফলার রাখতে পারেন। ভোরের দিকে এসির ঠাণ্ডা অনেক সময় অস্বস্তিকর হয়ে উঠতে পারে।

৪. সিট প্ল্যান বোঝা: মনে রাখবেন, ট্রেনের ইঞ্জিনের দিক থেকে বগিগুলোর ক্রম সাধারণত ক, খ, গ এভাবে সাজানো থাকে। টিকিট হাতে পাওয়ার পর বগির নম্বর দেখে সঠিক প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ান।

যাত্রীর চোখে তূর্ণা এক্সপ্রেসের একটি রাত

কল্পনা করুন, আপনি রাত ১১টায় কমলাপুর স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছেন। ট্রেনের হুইসেল বাজল এবং ট্রেনটি ধীরে ধীরে প্ল্যাটফর্ম ছাড়ল। শহরের কৃত্রিম আলো পেছনে ফেলে যখন ট্রেনটি গ্রাম বাংলার বুক চিরে ছুটতে শুরু করে, তখন এক অদ্ভুত প্রশান্তি অনুভব হয়। কুমিল্লা স্টেশনে যখন ট্রেন থামে, তখন মাঝরাতের সেই নীরবতা আর দূরে স্টেশনের হালকা আলো এক অপার্থিব পরিবেশ তৈরি করে। আর যখন সকালে চট্টগ্রাম পৌঁছাবেন, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ভোরের সূর্যোদয় দেখার জন্য আপনি থাকবেন একদম সতেজ। এটিই তূর্ণা এক্সপ্রেসের আসল ম্যাজিক।

তূর্ণা এক্সপ্রেস নিয়ে সাধারণ কিছু জিজ্ঞাসা ও সমাধান

অনেকেই জানতে চান তূর্ণা এক্সপ্রেসের খাবার কেমন। সত্যি বলতে, ট্রেনের খাবার মোটামুটি মানের হয়। তবে যাত্রীদের সুবিধার্থে এখন উন্নত ক্যাটারিং সার্ভিস যুক্ত করার চেষ্টা চলছে। আবার কেউ প্রশ্ন করেন, ট্রেনে কি মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট আছে? হ্যাঁ, স্নিগ্ধা এবং এসি বগিগুলোতে চার্জিং পয়েন্টের সুবিধা পাওয়া যায়, তবে শোভন বগিতে এটি সীমিত।

আরেকটি বিষয় হলো ট্রেনের লোকেশন ট্র্যাকিং। আপনার টিকিট যদি কনফার্ম থাকে, তবে ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে TR [স্পেস] Train Number লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে পাঠিয়ে দিলে মুহূর্তেই জানতে পারবেন ট্রেনটি এখন কোন স্টেশনে আছে। এটি রাতের বেলা পরিবারের সদস্যদের আপডেট দিতে খুব কাজে লাগে।

সবশেষে কিছু কথা

তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ সম্পর্কে এই বিস্তারিত তথ্যগুলো আপনার যাত্রাকে অনেক সহজ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস। যান্ত্রিক এই জীবনে একটু স্বস্তি আর সময় বাঁচাতে তূর্ণা এক্সপ্রেস একটি চমৎকার মাধ্যম। আপনি যদি প্রিয়জনদের নিয়ে বা কাজের প্রয়োজনে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম বা উল্টো পথে যাত্রা করেন, তবে এই “রাতের রানী” আপনাকে নিরাশ করবে না।

আমাদের এই গাইডটি যদি আপনার উপকারে আসে, তবে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আপনার কোনো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বা প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করতে পারেন। নিরাপদ ভ্রমণ হোক আপনার সঙ্গী!

প্রিয় পাঠক, সাগরপারে নোঙর ফেলুন!
আপনার ইমেইল ঠিকানা দিন। নতুন লেখা প্রকাশ হলেই পৌঁছে যাবে আপনার ইনবক্সে।

আপনার ইমেইল আমরা সম্মানের সঙ্গে সংরক্ষণ করি। চাইলে যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।